ইসলাম অন্যান্য ধর্মের কাছে এই দাবি জানায় যে, তারা যেন তাদের এই অবধিকালের দীর্ঘ অভিযাত্রার ইসনাদ ও সূত্রপরম্পরাকে উপস্থাপন করে এবং ঐতিহাসিক প্রামাণিকতাকে নিশ্চিত করে। ইসলাম তার ঐশীগ্রন্থ আল-কুরআনকেও এই নিরীক্ষা ও যাচাই-পরখের জন্য উপস্থিত করে। এবং বলাবাহুল্য, এর চৌদ্দ’শ বছরের সুদীর্ঘ ইতিহাস এই সত্যের সাক্ষ্য দেয় যে, এতে প্রামাণিকতা এবং নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতার এক শক্তিমান ঐতিহাসিক পরম্পরা বিদ্যমান। যার স্বীকৃতি এমনকি অসংখ্য অমুসলিম পণ্ডিত-গবেষকগণ দিয়েছেন, আলাদা করে যা উল্লেখ করে দেখানোর প্রয়োজন নেই।

বাইবেল ইহুদি ও খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ। এর দুটি অংশ রয়েছে, ওল্ড টেস্টামেন্ট যা তাওরাত এবং অন্য অংশটিকে নিউ টেস্টামেন্ট যা ইনজিল নামেও পরিচিত। কিন্তু, এই তাওরাত বা ইনজিল (বরত্মানে বাইবেল) কোনোটিই এই ঐতিহাসিক প্রমাণিকতা ও সূত্রীয় নির্ভরযোগ্যতায় উত্তীর্ণ হওয়ার অধিকার রাখে না।

ওল্ড টেস্টামেন্ট বা তাওরাতের অধিকাংশ পুস্তক ইবরানি বা হিব্রু ভাষায় রচিত। হিব্রু হলো একটি সেমিটিক ভাষা। বিভিন্ন দিক থেকে এটি আরবির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আরামীয় ভাষাতেও পুরাতন নিয়মের কয়েকটি অনুচ্ছেদ পাওয়া যায়। এটিও হিব্রুর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ একটি ভাষা। তবে বিষয় হলো, মূল ভাষায় রচিত পুরাতন নিয়মের কোনো কপির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না, যা পাওয়া যায় সবই ভিন্ন ভিন্ন ভাষার অনুবাদ।[১]

বর্তমান হিব্রু পুরাতন নিয়মের যে মূল পাঠ্যটি আমাদের সামনে রয়েছে, তা মূলত Massoretic Text থেকে কপিকৃত। ইহুদি পণ্ডিতগণ ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শতাব্দীতে ফিলিস্তিনের অন্যতম প্রাচীন শহর তাইবেরিয়াসে এটি সংকলন করেন। ছাপার অক্ষরে হিব্রু ভাষায় পুরাতন নিয়ম প্রথম প্রকাশিত হয় ১৪৮৮ খ্রিষ্টাব্দে। এরপর ১৪৯৪ খ্রিষ্টাব্দে দ্বিতীয়বারের মতো এটি ছাপানো হয়। এখান থেকেই পুরাতন নিয়ম জার্মান ভাষায় অনুবাদ করা হয়। বর্তমানে এটিই বহুল প্রচারিত পুরাতন নিয়ম।

এখান থেকে বোঝা যায়, পুরাতন নিয়ম দীর্ঘ ছয় শতাব্দী যাবৎ সংযোজন-বিয়োজন, পরিবর্তন-পরিবর্ধন ও সংস্কারের মধ্য দিয়ে বর্তমান অবস্থায় এসে উপনীত হয়েছে। এ দীর্ঘ সময়ে এটি কখনো কখনো লিখিত আকারে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছেছে। আবার কখনো শুধু মৌখিক চর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। লিখিত কোনো কপি ছিল না।

এসময় ইহুদি পণ্ডিতগণ এই পুস্তকগুলিকে বিজ্ঞানের সাথে মিলিয়ে যুগোপযোগী করে তোলারও চেষ্টা করেন। থমাস বলেন, “ইহুদি আলেমরা ১৮ টি স্থানে তাওরাতের মূল টেক্সট পরিবর্তন করে দিয়েছেন, যা বর্তমানে ‘পণ্ডিতদের সংস্করণ’ নামে পরিচিত।” এই ১৮ স্থানকে তারা সরাসরি পরিবর্তিত বলে স্বীকার করেন। এর বাইরে হাজারেরও অধিক স্থান এমন আছে যেগুলোর ব্যাপারে তাদের পণ্ডিতদের বক্তব্য হলো, এগুলো উৎকৃষ্ট নয়, এসব এভাবে না হয়ে ওভাবে হওয়া উচিত ছিল।[২]

নিউ টেস্টামেন্ট বলে বর্তমানে খ্রীষ্টানদের মধ্যে মথি, মার্ক, লুক ও যোহনের নামে প্রচারিত চারটি ইঞ্জিল, প্রেরিতদিগের কার্য-শীর্ষক একটি পুস্তক, বিভিন্ন মন্ডলী বা বিশ্বাসীদের নিকট লিখিত ২১ টি পত্র এবং শেষে প্রেরিত-যোহনের প্রকাশিত বাক্য, একুনে ৬ টি পুস্তক ও ২১ টি পত্র প্রচলিত আছে। কিন্তু ইতিহাস একবাক্যে সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, পুর্বে তাঁদের ইঞ্জিলের সংখ্যা ছিল ৩৬ টি এবং ১১৩ টি পত্র প্রেরিতদের পত্র বলে তাঁদের মধ্যে প্রচলিত ছিল।[৩]

৩২৫ খ্রিস্টাব্দে, নিসিও কাউন্সিলে তখনকার বিদ্যমান সমস্ত পুস্তক-পুস্তিকা নিয়ে অবিন্যস্ত ও এলোমেলোভাবে বেদীর উপর গাদা করে দেওয়া হয় এবং তার মধ্য হতে যেগুলি নিচে পড়ে গেল, সেগুলিকে মিথ্যা বলে সাব্যস্ত করা হলো। ধর্ম ও ধর্ম-পুস্তক সম্বন্ধে তাঁদের মধ্যে যে সকল মতবিরোধ বিরাজমান ছিল, এই কাউন্সিলে ভোটের আধিক্য দ্বারা তার ন্যায়ান্যায় নির্ধারণ করা হয়। অতঃপর পোপ গ্লাসিওস (৪৯২- ৪৯৬ খ্রি.) এর প্রামাণিকতা স্বীকার করে সরকারি সনদ প্রদান করেন। পক্ষান্তরে ৩২৫ বৎসর পর্যন্ত বাইবেল রূপে গৃহীত ২৮ টি পুস্তক ও ৯২ টি পত্র অ-প্রামাণিক এবং মাত্র ৬ টি পুস্তক ও ২১ টি পত্র প্রামাণিক বলে ঘোষণা দেওয়া হলো।

দীর্ঘ ১৮ শ শতাব্দী পর্যন্ত খ্রিস্টান সমাজ এই পুস্তকগুলিকে প্রত্যক্ষ ঐশিক বাণী বলে বিশ্বাস করে এসেছে। কিন্তু অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম হতে, ইউরোপে স্বাধীন ও দার্শনিকভাবে ইতিহাস-বিচারের সূত্রপাত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, বর্তমান বাইবেল সম্বন্ধে অন্যরূপ আলোচনা হতে আরম্ভ হয়। ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে অস্টাস তাঁর ‘যীশু-জীবনী’ নামক পুস্তক প্রকাশ করেন। হেগেলের (Hegel) ইতিহাস-দর্শনানুসারে বাইবেলের (নূতন নিয়মের) বর্ণিত বিবরণগুলি সূক্ষ্ম আলোচনা করে তিনি প্রতিপন্ন করেন যে, যীশুর জন্মবৃত্তান্ত ও তাঁর নানাপ্রকার অলৌকিক কার্য সম্পাদন ইত্যাদি ইঞ্জিলের সমস্ত বিবরণ, কল্পিত উপকথা ব্যতীত আর কিছুই নহে। খ্রীষ্টান জগতে এ নিয়ে একটা ভয়ানক আন্দোলনের সৃষ্টি হয়। ১৮৭৮ সালে ব্রোণোবায়স্ তাঁর ‘ক্রিষ্টস’ নামক পুস্তকে প্রতিপন্ন করেন যে, প্রচলিত ইঞ্জিলগুলি ঐতিহাসিক হিসেবে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অবিশ্বাস্য। তিনি প্রাচীন পুস্তকাদি অবলম্বনে এও প্রতিপন্ন করেন যে, যীশুর পার্বতীয় উপদেশ (Sermon on the Mount) প্রভৃতি যে শিক্ষাগুলিকে বাইবেলের বিশেষত্ব বলে প্রকাশ করা হয়, সেগুলি গ্রীক ও রোমান পণ্ডিতদিগের উক্তির অবিকল নকল ব্যতীত আর কিছুই নহে।

১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে ইংলেণ্ডের ক্যান্টরবেরী নগরে খ্রিষ্টান পণ্ডিতগণের এক সভায় স্থির করা হয় যে, ১৬১১ খ্রীষ্টাব্দে বাইবেলের যে ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছিল, তার সংশোধনের আবশ্যক হয়েছে। কারণ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নানারূপ অভিনব আবিষ্কারের ফলে, পুরাতন বাইবেলকে নিয়ে পার পাওয়া তখন কষ্টকর হয়প দাঁড়িয়েছিল। অতঃপর, সভার পক্ষ হতে এই কার্যের জন্য একটি কমিটি গঠিত হয়। ২৭ জন পণ্ডিত এই কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। কমিটি পূর্ণ দশ বৎসর পরিশ্রম করার পর ১৮৮২ সালে, বাইবেলের এক নূতন সংস্করণ বের করেন, এটাই এখন Revised Version বলে পরিচিতি।[৪]

‘বাইবেল : সংক্ষিপ্ত পরিচিতি’ গ্রন্থে ক্যারেন্ট আর্মস্ট্রং লিখেন–গোড়া থেকেই বাইবেলের কোনও একক বাণী ছিল না। সম্পাদকগণ ইহুদি ও ক্রিশ্চান টেস্টামেন্টসমূহের অনুশাসন স্থির করার সময় কোনও রকম মন্তব্য ছাড়াই বিরোধপূর্ণ ভাষ্য গ্রহণ করে পাশাপাশি স্থাপন করেছেন। প্রথম থেকেই বাইবেলিয় রচয়িতাগণ উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া টেক্সট স্বাধীনভাবে পরিবর্তন করে গেছেন, সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ দান করেছেন। পরবর্তীকালের ব্যাখ্যাকারগণ বাইবেলকে তাদের সময়ের বিভিন্ন সমস্যার মানদণ্ড হিসাবে ধারণ করেছেন। অনেক সময় নিজেদের বিশ্বদৃষ্টির বিকাশে একে কাজে লাগিয়েছেন, কিন্তু আবার ইচ্ছামতো বদলেছেনও যাতে সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যার সাথে তা খাপ খেতে পারে।[৫]

আমেরিকান গবেষক স্কট বিডস্ট্রাপ ‘what the Christian Fundamentalist doesn’t whant you to know : A Brief every survey of biblical Errancy’. শীর্ষক রচনায় পর্যালোচনা করে দেখিয়েছেন যে, বাইবেলে এত বেশি ভুলভ্রান্তি এবং অস্বাভাবিক পরস্পর সাংঘর্ষিক বৈপরীত্যের সমাহার ঘটেছে যে, সেগুলো নিয়ে বাইবেল আদৌ প্রত্যাদিষ্ট ধর্মগ্রন্থ হওয়ার যোগ্য হতে পারে না। রচনার উপসংহারে স্কট লিখেছেন :

‘If you want to get a real sense of the inconsistencies in the narrative of the four gospels, start with the trial of Jesus, and compare the accounts in the gospels side by side, reading the account of each incident in the narrative in each gospel before going on to the next incident in the narrative. It will quickly become obvious just how inconsistent the Bible really is. As you do this, you’ll come to realize just how imperfect this supposedly perfect document has to be. And as such, the reasonableness of one of the basic claims of the fundamentalist Christians, that of the inerrancy of the Bible, will evaporate like the dew on a summer morning .’

অর্থাৎ, ‘চার ইঞ্জিলের বিবরণের মধ্যে বিদ্যমান বৈপরীত্য বিষয়ে যদি আপনি বাস্তব চিত্র জানতে চান, তবে যীশুর বিচার দিয়ে শুরু করুন এবং চার ইঞ্জিলের বর্ণনা পাশাপাশি তুলনা করতে থাকুন। প্রত্যেক ঘটনার বিষয়ে প্রত্যেক ইঞ্জিলের বিবরণ পুরোপুরি অধ্যয়ন করে এরপর অন্য ঘটনা অধ্যয়ন শুরু করুন। বাইবেল যে বাস্তবে কত বেশি পরস্পর-বিরোধী ও সাংঘর্ষিক তা শীঘ্রই আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে। আপনি যখন এরূপ অধ্যয়ন করবেন তখন আপনিই অনুধাবন করবেন, যে পুস্তককে ‘নিখুঁত’ বলে ধারণা করা হয় সে পুস্তটা কত বেশি খুঁতসম্পন্ন! মৌলবাদী খ্রিষ্টানদের মৌলিক দাবিগুলোর অন্যতম দাবি হলো : বাইবেল অভ্রান্ত। আর এ অধ্যয়নের মাধ্যমে বাইবেলীয় অভ্রান্ততার এ দাবি গ্রীষ্মকালীন সকালের শিশিরের মতই বাষ্প হয়ে উড়ে যাবে।’[৬]

সাধারণত বাইবেলের এসকল ভুলভ্রান্তির সমাধান হিসেবে ‘লিপিকারের ভুল’ জাতীয় দোহাই হাজির করা হয়। স্কট বিডস্ট্রাপ স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, যৌক্তিক ব্যাখ্যা এবং গ্রহণযোগ্য সমন্বয় যদি দেখানো যায়, তবে তিনি তার মত পরিবর্তন করতে রাজি, কিন্তু লিপিকারের ভুল জাতীয় যুক্তি-দোহাই তিনি গ্রহণ করবেন না কোনোভাবেই। কারণ –

“If you concede that the Bible contains errors that have been made by translators or editors, then you can conceivably explain anything in it as a copyist. translational or editing error. That’s an easy way out, that also has the effect of saying that since the Bible actually does have errors in it, it can’t reliably be considered to be the infallible word of God, either. If you want to take that easy way out, then you’re not talking about the inerrant Bible that the fundamentalists claim I can pick up off of my local bookshop shelf. My essay is aimed at them. not you. So PLEASE don’t bother to tell me that these are all translator’s, copyist’s and editor’s errors. If it is going to be the reliable word of God, it has to be inerrant, and that means truly inerrant; i.e., devoid of all translational, copyist or editing errors.’

অর্থাৎ, ‘আপনি যদি স্বীকার করেন যে, বাইবেলের মধ্যে ভুলভ্রান্তি রয়েছে, যেগুলো অনুবাদক বা সম্পাদকদের সৃষ্ট, তবে আপনি অনুমেয়ভাবে বাইবেলের মধ্যে বিদ্যমান যে কোনো বিষয়কে লিপিকার, অনুবাদক বা সম্পাদকের ভুল বলে ব্যাখ্যা করতে পারেন। এটা একটা সহজ বহির্গমন পথ। কিন্তু এ দ্বারা এ কথাও প্রমাণিত হয় যে, যেহেতু বর্তমান বাস্তবতায় বাইবেলের মধ্যে ভুলভ্রান্তি বিদ্যমান সেহেতু একে ঈশ্বরের অভ্রান্ত বাণী বলে নির্ভরযোগ্যভাবে মনে করা যায় না। অন্য কথায়, আপনি যদি এ সহজ বহির্গমন পথ গ্রহণ করতে চান, তাহলে মৌলবাদীরা যে অভ্রান্ত বাইবেলের কথা বলেন, আপনি সে অভ্রান্ত বাইবেলের কথা বলছেন না। মৌলবাদীরা দাবি করেন যে, একটা অভ্রান্ত বাইবেল আমি স্থানীয় বইয়ের দোকান থেকে কিনতে পারব। আমার রচনা তাদের জন্য, আপনার জন্য নয়। কাজেই দয়া করে আমাকে বলবেন না যে, এগুলো অনুবাদক, লিপিকার বা সম্পাদকের ভুল। বাইবেলকে যদি ঈশ্বরের নির্ভরযোগ্য বাণী হতে হয় তবে একে অবশ্যই ভুলমুক্ত হতে হবে। আর সত্যিকার অর্থে ভুলযুক্ত হওয়ার অর্থ সকল প্রকারের অনুবাদ, অনুলিপি ও সম্পাদনার ভুল থেকেও মুক্ত থাকা।’ [৭]

এই যদি হয় অবস্থা, তবে বাইবেলের ঐতিহাসিক ভিত্তিতে এবং তার প্রামানিকতায় বিশ্বাস স্থাপন করা যায় কী? বিশ্বাস করলে জগতে অ-প্রামানিক বলে কিছু বাকী থাকবে কী?

বরাত:
১. কামুসুল কিতাবিল মুকাদ্দাস, পৃ. ৭৬৩, উদ্ধৃত : ইহুদি ও খ্রিস্টান জাতির ইতিহাস, ড. জিয়াউর রহমান আজমী, রোকন উদ্দিন অনূদিত, ২০২১, পৃ. ১৫২।
২. ইহুদি ও খ্রিস্টান জাতির ইতিহাস, ড. জিয়াউর রহমান আজমী, প্রাগুক্ত, পৃ. ১৫২- ৫৩।
৩. Encyclopaedia Britannica- র, Apocryphal Literature শীর্ষক সন্দর্ভে এই সকল পুস্তকের নাম ও বিস্তৃত বিবরণ রয়েছে।
৪. মোস্তফা চরিত, মোহাম্মদ আকরাম খাঁ, খোশরোজ কিতাবমহল, পঞ্চম সংস্করণ, ২০১৪, পৃ. ১৬৮-৭০।
৫. বাইবেল, সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, ক্যারেন আর্মস্ট্রং, শওকত হোসেন অনূদিত, রোদেলা প্রকাশনী, ২০১১, পৃ. ১২।
৬. পবিত্র বাইবেল : পরিচিতি ও পর্যালোচনা, ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ২০১৬, পৃ. ২৮১।
৭. প্রাগুক্ত, ২৮২।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.