Mujib Nagar government's seven-point agreement and India policy

চলেন উনিশশো একাত্তরের বোকা পাকিস্তান ,ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র- এর পৃষ্ঠপোষকতায় গঠিত তাজউদ্দীনের মুজিবনগর সরকার ও ইন্দিরা গান্ধীর লোভী ভারতকে একটু ঝাঁকিয়ে আসি ।ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশে প্রবেশের পূর্বে মুজিব নগর সরকারের সাথে ভারত সরকারের সাত দফা চুক্তি হয়েছিল ১৯৭১ সালের অক্টোবরে ।যদিও সেই চুক্তি সম্বন্ধে দেশের মানুষ, মুক্তিযোদ্ধারা ও সেক্টর কমান্ডাররা অবগত ছিলেন না । এমনকি মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত এই চুক্তি বিষয়ে জানতেন না । আমরা যখন ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপন করছিলাম ঠিক তখন ইন্দিরা গান্ধীর ভারত সরকারের তৎকালীন প্লানিং কমিশনের চেয়ারম্যান ডি পি ধরের হাতে ছিল সেই মহামূল্যবান সাত দফা চুক্তি । যে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে মুক্তির পর ঠিক সিকিমের মতো অনুগত রাজ্য হয়ে থাকবে।

ভারত বাংলাদেশের প্রশাসনে তাদের কর্মকর্তা নিয়োগ করবে ,স্বাধীন হওয়ার পরও ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশে অবস্থান করবে এবং দেশ ও সংবিধান রক্ষার জন্য বাংলাদেশের নিজস্ব কোন সেনাবাহিনী থাকবে না ,তবে আভ্যন্তরীণ কোন সংবিধান থাকবে কিনা সেটা পরিষ্কার করে কিছু বলা না থাকলেও ভারতের সংবিধানই হবে বাংলাদেশর সংবিধান( ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর মিসেজ ইন্দিরা গান্ধীর লোকসভায় দেওয়া ভাষণ দেখতে পারেন) ,পাক-ভারত যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রতিনিধিত্ব করবে ,দুই দেশের সীমান্তে খোলা বাজারে বাণিজ্য হবে এবং পররাষ্ট্র নীতি ও বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে চলবে ।

এই চুক্তি অনুযায়ী দেশ স্বাধীন হয়ে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ১৯৭২ এর দশই জানুয়ারি পর্যন্ত মুজিব নগর সরকার থেকে ভারতের সিকিম রাজ্যের ন্যায় বাংলাদেশ নামে ভারতের অনুগত একটি রাজ্য সৃষ্টি হয়েছিল । এই উনত্রিশ দিন বাংলাদেশ যদিও নিজেদের স্বাধীন দাবি করে কিন্তু আমার কাছে প্রকৃত স্বাধীনতা আসে যেদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগার থেকে দেশে ফিরে আসেন । কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে মহান মুক্তিযুদ্ধ হয়ে যায় ভারত- পাকিস্তান যুদ্ধ ।আর বাংলাদেশ সেই যুদ্ধের মাধ্যমে ভারত সরকারের অধীনে চলে যায় । যদি সাত দফা চুক্তি কলঙ্কজনক হয় তাহলে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র- এর তত্ত্বাবধানে গঠিত মুজিব নগর সরকার গঠন করা কতটা সঠিক ছিল? সেই সাত দফার স্বাধীনতা সনদে ভারতকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগের অধিকার নিশ্চিত করা হয় । আপনি যদি ১৯৬৬ সালের শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা দেখেন তার চেয়ে বেশি এখতিয়ার তাজউদ্দীন সাত দফায় ভারতকে দিয়েছেন । আপনি জানেন আর না জানেন, মানেন আর না মানেন এই সাত দফাই বাংলাদেশের খাটি স্বাধীনতার সনদ । সৈয়দ নজরুল ইসলাম এই সাত দফায় স্বাক্ষর করার পর বিবেকের তাড়নায় অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন ! এই দেশ বিক্রির সনদ নিয়ে এখনো এক প্রজন্ম মুজিব নগর সরকারের আহ্লাদে গদগদ হয়ে যায় । যদিও শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকতে এই মুজিব নগর নিয়ে তেমন কোন কথাই বলেননি ।

এবার আসি স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের কথায় । আপনারা ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপন করেন কিন্তু আমার কাছে বিজয়ের সংজ্ঞা একটু ভিন্ন ধরনের ।
আপনি যদি ৭১ এর যুদ্ধকে পাক- ভারত যুদ্ধ হিসেবে গ্রহণ করেন তাহলে ১৬ই ডিসেম্বর আপনার বিজয় দিবস ।
আপনি যদি সাত দফা চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভারতীয় সিকিম রাজ্যের ন্যায় মনে করেন তাহলে ১৬ -ই ডিসেম্বর থেকে আপনি স্বাধীন ।

আপনি যদি মনে করেন স্বাধীনতা মানে পাকিস্তানকে পরাজিত করা ,আজীবন পাকিস্তানকে ঘৃণা করা এবং ভারতীয় হুকুমের গোলাম হয়ে দাসত্ব করা তাহলে আপনার স্বাধীনতা ১৬- ই ডিসেম্বর অর্জন হয়ে গেছে । কিন্তু আমার কাছে স্বাধীনতা অর্জন ও বিজয় বলতে যেদিন শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ফিরে এলেন অর্থাৎ ১০ জানুয়ারি এই দিন থেকে । আমরা একজন মানুষ পেলাম যে ছিল লোভহীন ও সাহসী । তিনি ছিলেন অনন্য অসাধারণ ।। ১৯৭২ এর ১৩ই জানুয়ারি তাজউদ্দীন আহমদের দেওয়া একটি কাগজ বঙ্গবন্ধু ছিড়ে ফেলেছিলেন । রুদ্র মূর্তি ধারণ করে কাগজটি টুকরো টুকরো করে ছুড়ে ফেলে দিলেন । এই কাগজে ছিল ভারতের সিকিম রাজ্যের ন্যায় একটি অনুগত রাজ্য হয়ে থাকার আনুগত্যের চুক্তিনামা । অনেকেই চোখ খুলে খুজে পাননা শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান কি?

যদিও আমি আওয়ামী লীগের অনুগত সমর্থক নই কিন্তু সত্য উপলব্ধি ও সত্য বলতে আমার কোন কার্পণ্য নেই । আমি অকপটে সত্য বলতে ও স্বীকার করতে বদ্ধপরিকর।
যা কিছু দেখছেন সে কেবল সত্যের বহিঃপ্রকাশ মাত্র ।
তারপর বীরদর্পে শেখ মুজিবুর রহমান এগিয়ে গেলেন কিভাবে দেশের মানুষকে দেওয়া স্বপ্ন ফিরিয়ে আনা যায় । কারণ দেশের মানুষ যুদ্ধ করেছিল শেখ মুজিবের কথায় । অন্য কারো কথায় জনগণ তাদের জীবন উৎসর্গ করেনি ।
শেখ মুজিবুর রহমানের দেশে ফিরে আসাটা অনেকেই পছন্দ করেননি । ১৪ই আগস্ট ১৯৭৫ রাতে যারা মুজিব কোট খুলে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য উতলা হয়ে উঠেছিল তারা এবং তাদের বংশধররা শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তান জেল থেকে মুক্তি পাওয়াটা মেনে নিতে পারেননি।ষড়যন্ত্র কতটা নির্মম ছিল তা বোঝা গেল পনেরোই আগস্ট ভোরে যখন তাকে সহ পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হলো ।

স্বাধীনতা পরবর্তী শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনা ও নীতিতে ভুল ভ্রান্তি ঘটতেই পারে ।আজ সে বিষয়ে কিছু বলব না।তবে কেউই ভুল ভ্রান্তির উর্ধ্বে না ।একটা কথা জানেন তো দশ চক্রে ভগবান পর্যন্ত ভুত হয়ে যায় ।

কেবল সাত দফা চুক্তি করেই তাজউদ্দীন আহমদ চুপ থাকেননি ।সেই চুক্তি কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তার জন্য চেষ্টাও করেছেন । শেখ মুজিবুর রহমান র -এর বাংলাদেশ প্রজেক্ট সম্পর্কে অবগত ছিলেন তাই তাদের ফাঁদে পা না দিয়ে আট কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরণের পথে হেঁটেছেন ।
মুজিব নগর সরকারের মুখপাত্রের স্বাধীনতা পরবর্তী কার্যক্রম এবং তার ফলশ্রুতিতে বঙ্গবন্ধু কি করেছিলেন চলেন একটু দেখে আসি,,,,

এক .

তাজউদ্দীন সহ কতিপয় নেতা বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রত্যাহার না করার জন্য বঙ্গবন্ধুর উপর চাপ সৃষ্টি করেন । অন্য দিকে বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার দুই মাসের মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রত্যাহারে মিসেজ ইন্দিরা গান্ধীকে বাধ্য করেন ।

২.

শেখ মুজিবুর রহমান সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিডিআর পুনর্গঠন এবং ভারতীয় কুটনীতিক জে এন দীক্ষিতের দাদাগিরি বন্দ করে দিয়ে সেনাবাহিনীকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন।

৩.

চুক্তি অনুযায়ী ১৬ ই ডিসেম্বরের পর ভারতীয় কর্মকর্তারা চলে আসেন কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ফিরে ডি পি ধর সহ নিয়োগকৃত সামরিক ও বেসামরিক ভারতীয় প্রশাসকদের দেশ থেকে বের করে দেন ।

৪.

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে গড়ে ওঠা খোলা বাজার বাণিজ্য বাংলাদেশের স্বার্থের প্রতিকূলে যাওয়ার কারণে শেখ মুজিবুর রহমান বাণিজ্য বন্দ করে দেন ।

৫.

সাত দফা চুক্তি, ভারতীয় রক্ত চক্ষু , র- এর রামেশ্বর কাও দের উপেক্ষা এবং বাংলাদেশের মস্কোপন্থী মনিসিং মোজাফফর ও মতিয়া চৌধুরীদের বিরোধিতা সত্ত্বেও শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ এর ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহরে ওআইসিতে যোগ দেন।

৬.

১৯৭৩ সালে আরব- ইসরাইল যুদ্ধে ভারতের সাথে কোন ধরনের পরামর্শ না করে আরবদের সমর্থন করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতির ব্যবহার শুরু করেন।
যদিও কথা ছিল বাংলাদেশ ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করবে এই শর্তে ইসরাইল ,ভারত ও মুক্তিবাহিনীকে অর্থ, অস্ত্র সামগ্রী ও সামরিক বিশেষজ্ঞ দিয়ে সহায়তা করে । যদিও বঙ্গবন্ধু খুব মর্মাহত হয়েছিলেন ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা শুনে ।

৭.

চুক্তির বিরুদ্ধে গিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজস্ব সংবিধান প্রণয়ন করেন ।

৮.

অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদ বোম্বের নেহাল প্রিন্টিং প্রেস থেকে যেটা সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস নয় সেখান থেকে নোট ছাপান। এবং ভারতের স্বার্থে মুদ্রা মুল্য হ্রাস করে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে আরোও সংকটে ফেলে দেন ।কিন্তু বঙ্গবন্ধু নেহাল প্রিন্টিং প্রেসের নোট বাতিল এবং বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সেই নোট প্রত্যাহার করতে বাধ্য করেন ।

৯.

যে পাট হিস্যা নিয়ে পাকিস্তান সরকারের সাথে আমাদের বিরোধ । ১৯৭২ সালে তাজউদ্দীন আহমদ সেই পাট শিল্প উৎপাদন এবং পাট শিল্পে থাকা আমাদের প্রথম স্থানটি ভারতের জন্য ছেড়ে দেন।
আর কত সহ্য করবেন বঙ্গবন্ধু? ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান তাজউদ্দীন আহমদকে মন্ত্রীসভা থেকে অব্যাহতি দেন।

কিন্তু আপনি এতদিন ভেবেছেন,,,,,,
যে মানুষটি মুজিব নগর সরকার গঠন করল ,
যে মানুষটি স্বাধীনতা পাইয়ে দিল,
যে মানুষটি ভারতে আশ্রয় নিয়ে নয় মাস যুদ্ধ করল,
যে মানুষটি বিদেশি লবিং এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহমত পেল সেই মানুষকে কিভাবে বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতির পদ থেকে এমনকি মন্ত্রীপরিষদ থেকেও অব্যাহতি দিতে পারল ?
এখন তো দেখলেন কিভাবে কেনই বা তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল ।

মুজিব নগর সরকারের সাত দফা চুক্তির বাংলাদেশের খণ্ডটি শেখ মুজিবুর রহমান ছিড়ে ফেলেছিলেন কিন্তু ভারত সরকারের হাতে অন্য খণ্ডটি এখনো আছে । যতদিন শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে ছিলেন ততোদিন এই চুক্তির বিষয়ে কোন কথা হয়নি । আর এই চুক্তি ঘটেছিল দুই দেশের সরকারের সাথে যেখানে জনগণ ছিল অনুপস্থিত । এত বড় একটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো কিন্তু জনগণ জানতেই পারল না । ভারতের হাব ভাব দেখে মনে হয় না তারা সেই চুক্তি পত্র থেকে দূরে আছে ।

গতকাল বাংলাদেশর পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া মন্তব্য দেখে অবাক হইনি । তিনি বলেছেন “আমাদের বিজয় মানে ভারতের বিজয়, ভারতের বিজয় মানে আমাদের বিজয় । মনে রাখবেন ভারতের সাথে আমাদের রক্তের সম্পর্ক । আগামী বছর ভারতকে নিয়ে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উৎসব করব ।” আমিও সেই উৎসবে ডুগডুগি বাজাবো । এর আগেও মন্ত্রীদের নানা সময়ে নানা ধরনের ভারত প্রীতি প্রত্যক্ষ করেছি । অনুগত হতে হতে এতটাই নতজানু ও আনুগত্যশীল যে তাদের বুদ্ধি চিন্তা শক্তি ও দূরদর্শিতা ভারত গাঁজায় পেয়ে বসেছে । আর গাঁজার নেশা বড় নেশা ।। যদি একটু চোখ বন্ধ করে ভাবেন মুজিব নগর সরকারের সাত দফার চুক্তি ও ভারত সরকারের সাথে রাষ্ট্রের বর্তমান সম্পর্ক তাহলে কিন্তু আপনি একটা উত্তর পেয়ে যাবেন। আমি দেশ বিক্রি বা সিকিমের মতো ভারতীয় আজ্ঞাবহ রাজ্য হয়ে থাকার পক্ষপাতী না । যদি আপনি মনে করেন যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে তাহলে আপনি এখনো স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন।আপনি ভারতীয় গাঞ্জা খেয়ে ঘুমিয়ে আছেন ।
সর্বপ্রথম ভারত সরকারের সাথে মুজিব নগর সরকারের যে চুক্তি হয়েছিল তার সমাধান করা । আনুষ্ঠানিক ভাবে সেই চুক্তির অবসান ঘটিয়ে দেশের মানুষের কাছে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে দেওয়া ।ভারতের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠবে কেবল বাণিজ্যিক ভাবে । দেশের বিরুদ্ধে যায় এমন কোন চুক্তি বা বাণিজ্য গড়ে তোলা যাবে না ।

তথ্য সূত্র: ভারতের সাথে মুজিব নগর সরকারের সাত দফা চুক্তি ।

লেখক পরিচিতি :

আবদুল কাদের জিলানী
সম্পাদক

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.